২০১১ সালে নাসিরের আবির্ভাব হয় ওয়ানডে ক্রিকেট দিয়ে। অভিষেক টা ছিলো স্বপ্নের মতো। অভিষেক ম্যাচেই বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। করেছিলেন অপরাজিত ৬৩ রান। সেই ম্যাচেই বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ বলে এতো জোরে ব্যাট চালিয়েছিলেন, জিম্বাবুয়ের এক বোলারকে ২ দাত ফেলে দিয়েছিলেন।
সেই থেকে আর পিছনে ফিরতে হয়নি। পরের বছরই অভিষেক হয় টেস্ট ক্রিকেটে। টেস্টেও ছিলেন দাপুটে। খুব অল্প সময়েই হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের ফিনিশার ব্যাটসম্যান।
২০১২ সালে ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। ওয়েস্টইন্ডিজের সাথে ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ৩ টি ফিফটি করেছিলেন। সাথে দুটি ৯০+ ইনিংস, সেঞ্চুরি থেকে একটু দুরে। এবং সেটিও পেয়ে গেলো পরে বছরই গলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। পরের মাসেই জিম্বাবুয়ে সফরে সেখানেও ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। করেছিলেন দুটি ফিফটি।
সাথে ফিল্ডিংয়ের কথা না বললেই নয়। নিঃসন্দেহে নাসির ছিলেন বাংলাদেশের সেরা ফিল্ডার। অসাধারণ যতো ক্যাচ সব নাসিরের কাছ থেকেই পেয়েছি। পাশাপাশি করতেন পার্টটাইম অফ স্পিনিং। অনেকবার বার এনে দিয়েছেন বেকথ্রু।
ওভারঅল নাসির ছিলেন বাংলাদেশের একজন ভরসার প্রতিক। তিনি মাঠে থাকলে যেকেউ ভরসা করতো। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে করেছেন প্রচুর ফিফটি।
কিন্তু সব যেন নিমিষেই শেষ হয়ে গেলো। ইঞ্জুরির জন্য দল থেকে বাদ পরার পর যেন আর খুজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না নাসিরকে। মাঝে জড়িয়ে পরেছিলেন নারী কেলঙ্কেরী তে। ক্যারিয়ার টা যেন প্রায় শেষই করে দিয়েছেন। সেজন্য নিজের দায় টাই সবচেয়ে বেশি।
যাই হোক আশা করি নাসির সব ঠিক করে আগের সরূপে ফিরবে। আমরা আগের ফিনিশার নাসিরকে চাই।
সবশেষে জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইলো।
0 Comments