Header Ads Widget

Responsive Advertisement

"পার্বত্য অঞ্চলে নারী ফুটবলে এগিয়ে টিম খাগড়াছড়ি"

যদি কেউ জানতে চাই- ফুটবলের দিক দিয়ে আমাদের তিন পার্বত্য জেলা অর্থাৎ রাংগামাটি, খাগড়াছড়ির, বান্দরবান থেকে কোন জেলা এগিয়ে আছেন? 

আমি বলছি-
নিশ্চয়ই প্রথমে খাগড়াছড়ির নাম টা আগেই আসবে। হ্যাঁ, সত্যি খাগড়াছড়ি! সেইটা ছবিতে প্রমাণিত। খাগড়াছড়ি মহিলা ফুটবল একাডেমি আজ চ্যাম্পিয়নস।💪💪😍💝

আগেও বলেছি এই তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে ওরা সব দিক দিয়ে আছে। এগিয়ে আছে বলে আজ তারা চ্যাম্পিয়নস হয়ে এসেছে, এগিয়ে আছেই বলে তারা আজ পার্বত্য জেলার ফুটবলের সুনাম বয়ে আনতে পেরেছে। তারা পেরেছে কিসের কারণে জানেন?একমাত্র জেলা দায়িত্বে কিছু সৎ ব্যক্তিদের এবং নিজেদের পরিশ্রমের কারণে। এই সৎ-নিষ্ঠাবান পরিশ্রমই মাধ্যমে তারা তাদের সাফল্য সিরিতে আরোও একধাপ এগিয়ে যেতে পেরেছে।

আমি বুঝিনা রাংগামাটি এবং বান্দরবানে গত ১০ বছর ধরেও একটা মহিলা ফুটবল একাডেমি এখনো গড়ে তুলতে পারছে না,এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎতেও পারবে কিনা সন্দেহ। আর এর মূল কারণ টা  কি? প্রধান সমস্যা টা কোথায়? সেইটা বার বারই প্রশ্নবিদ্ধ থেকেই যায়।

রাংগামাটির জেলায় কাউখালি, কাপ্তাই, ঘাগড়াই এবং বান্দরবান সদরে লামায়, আলিকদম উপজেলায় মহিলা একাডেমির গড়ে তুলার  প্রচেষ্টায় আছে। কিন্তু জেলার প্রশাসনের হাত এখনো বাড়িয়ে দিচ্ছে না বলে তারা একা আর বহন করতে পারছেনা😪 বর্তমানে কিছু একাডেমি স্থগিত রয়েছে।

জেলার ফুটবল দায়িত্বে যারা আছেন আসলে তারা কি সত্যিই রাজনীতে এততাই মগ্ন😑😪 যে নিজ জেলার ফুটবলের কোন খেয়াল রাখতে পারছে না।জেলা দলের দিকে কোনো পাত্তাই নেই 😑😢

রাংগামাটি, কাউখালিতে এখনো বাবু সুইলামং মারমা তিনি এখনো  নিজ দায়িত্বে, নিজ খরচে বহন করে যাচ্ছেন তার এই ছোট্ট মহিলা ফুটবল একাডেমির উপর। প্রায় ৩০-৪০ জন প্রমিলা ফুটবল প্লেয়ার রয়েছে উনার একাডেমিতে। রাংগামাটির জেলা প্রসাশনের প্রতি আবারও অনুরোধ করছি আপনারা একবার গিয়ে পরিদর্শন করে  আসেন।

এইবার আসি খাগড়াছড়ির প্রসঙ্গে- 🥰 প্রথমে অভিনন্দন চ্যাম্পিয়নসদের বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাই দাদা জয়তীশ বসু কে উনি দলের সাথে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাশে ছিলেন,এবং অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই  খাগড়াছড়ির জেলার প্রমিলা ফুটবল পাশে এবং দলের দায়িত্বে যারা ছিলেন। আপনারা দায়িত্ব ও সমর্থন দিয়েছেন বলেই আজ আপনাদের খাগড়াছড়ির এবং পার্বত্য জেলার ফুটবল মুখ উজ্জ্বল করতে পেরেছে।
আসলে অত্যন্ত খুশির খবর..! আপনাদের খাগড়াছড়ি  অনুর্ধ-১৪ নারী ফুটবল টিম আঞ্চলিক পর্যায়ে কুমিল্লাকে ৭-০, লক্ষিপুরকে ৬-০ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেছেন।

খেলোয়ারদের সম্মানে গত ১০ই নভেম্বর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নৈশভোজের আয়োজন করা হয় এবং সেইদিন ২২ জন খেলোয়াড়কে-অফিশিয়ালভাবে আর্থিক অনুদানও প্রদান করা হয়।

আগামী ২০ই নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হওয়া জাতীয় পর্যায়ে তারা ভাল করবে বলে - এই প্রত্যাশা  কামনা করি।

চ্যাম্পিয়ন্সদের প্রতি রইলো আমাদের Hill-Tracts Football Fans Group Of Bangladesh(HTFfGOB) গ্রুপের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।। আপনারাই আমাদের পার্বত্য জেলার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলের প্রাণকে বাঁচিয়ে রাখার একমাত্র পন্থা।আপনারাই পারবেন পার্বত্য জেলার ফুটবলকে  দেশের মঞ্চে প্রেজেন্ট করতে।
আমাদের পার্বত্যজেলার ফুটবল ফ্যান্স এর গ্রুপ প্রথম কমেন্টই আছে 
Plesse join us...& wake up the Hill-tracts football fans 🙏❤️

Post a Comment

0 Comments