আমরা কারোর বিপক্ষে নয়, চাই শুধু বাংলাদেশ এবং পার্বত্য জেলার ফুটবলের এমনভাবে সর্মথক হতে, যেভাবে আমরা ভিনদেশী দলগুলোকে সাপোর্ট করে থাকি।
এখন যা পরিস্থিতি তাতে লেখার আগ্রহ পাইনা।বর্তমানে পুরো পরিবেশতা বিষাক্ত।যতটা ফুটবলের প্রেম,তার চেয়ে বেশি সমালোচনার ঘৃণার রাজ।আমি চেষ্টা করছি পার্বত্য জেলার ফুটবলকে তুলে ধরার,চেষ্টা করছি একটা পার্বত্য জেলার ফুটবল প্লার্টফম ক্রিয়েট করে ফুটবল প্রেমিদের এক করা।চেষ্টা করছি নতুন প্রজন্মকে ফুটবলাদের তুলে ধরার।তা থেকে কারোর যদি পার্বত্য জেলার ফুটবল নিয়ে সামান্য আবেগের সৃষ্টি হয় তাহলে আমি স্বার্থক।এইবার আসি মূল প্রসঙ্গে....
শুরুতেই আমি অভিনন্দন জানাই কক্সবাজার জেলা টিমকে। রাঙ্গামাটির জেলাকে ৫ -০ গোলে হারিয়ে কক্সবাজার ফুটবল টিম একাদশের শুভ সুচনা। ম্যাচের হ্যাট্রিক করেছেন ইভান সাগর এবং মোঃ সায়েম ও জাহাংগীর আলম একটি করে গোলের বড় জয় পেয়েছে.....। আর এদিকে লজ্জাজনক ভাবে হারে বাদ পরেছে গ্রুপ পর্ব থেকে রাংগামাটি জেলা ফুটবল একাদশ। সমবেদনা রাঙ্গামাটি।
গতকাল খেলা নিয়ে ফুটবলপ্রেমী হিসেবে কিছু কথা বলতেই পারি, ভালো-খারাপ দিকটাই নিয়ে সমালোচনাও করতেই পারি।গতকাল রাঙ্গামাটির খেলার নিয়ে সত্যি হতাশাজনক বটে। কোন দিক দিয়ে দলের ঘাতটি ছিলো এতটাই কি খারাপ খেলেছে? রাঙ্গামাটির জেলা দল কি ৫ টা গোল খাওয়ার মতো দল গঠন করেছে তাহলে?
এই দল নিয়ে কি বিভাগীয় লিগ খেলার ডিজার্ব করে? গতকাল বান্দরবান ফুটবল স্টেডিয়ামে মাঠে কি এমন খেলা খেলেছিলো যে ৫ টা গোল হজম করতে হয়েছে।
আমি বলছিনা রাঙ্গামাটি খারাপ খেলেছে। মিডল ম্যান যদি স্ট্রাইকারকে বল দিতে না পারে কেমনে গোল করবে বলেন?
আর স্ট্রাইকারে ছিলো অনভিজ্ঞ রাঙ্গামাটির সেরা প্লেয়ার হানিফ এবং মুন্নাদের অভাব টা গতকাল হারার পর টের পেয়েছে রাঙ্গামাটি।চাইলে তো উনাদের দলে রাখতে পারতেন।
আরে ভাই কক্সবাজার জেলা দলের যে প্লেয়ার আছে এবং মেইন একাদ্বশে যারা খেলেছে তারা দলে নিজের যোগ্যতা হিসেবে জায়গায় করে নিয়েছে এবং শক্তিশালী দল নিয়ে খেলতে এসেছে। তারা রাংগামাটির জেলার দলের মতো নিজের মামাতো ভাই-চাচাতো ভাই দের নিয়ে দল গঠন করে আসেননি। আর প্রতিভাবান খেলোয়াদের জায়গায় না দিয়ে খেলালে এবং কিছু লর্ড প্লেয়াদের নিয়ে দল গঠন করলে তো এমন দলের এমন হাল হবেই। দুঃখজনক হলেও সত্যিই আমাদের জেলার ফুটবলের উন্নতি কোনোদিন পরিবর্তন হবে না। আর পরিবর্তনও কখনোই আসবে না। এইসব খেলার মধ্যে নোংরা রাজনীতির ঢুকিয়ে কি লাভ আপনাদের? আশাও করিনা যদি সৎভাবে দল যাছাই-বাছাইয়ে যোগ্য খেলোয়ারদের দলে রাখা না হয়।
যার জন্য ফুটবল প্রেমিদের চাওয়া পাওয়া প্রতিফলন হয়না। আর ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা ফুটবল উন্নয়নের কিছু করলো বা কি করলো না যোগ্যতার ভিত্তিতে কখনোই নির্বাচিত হন না। জেলা দলের প্লেয়ার রা কি অনুশীলন করছে কোনো খোঁজ রাখছেনা আমার মনে হয়, শুধুমাত্র দখল করে বসে আছেন যোগ্যতার চেয়ারে অযোগ্য ব্যক্তি। চিন্তা করে দেখেন- তিন টা বছর ধরে কোনো জেলা লিগের খবর নেই, নেই কোনো জেলা দলের প্লেয়ারদের খোঁজ। বিভাগীয় লিগ শুরুর হওয়ার আগে তাড়াহোরা করে ৩'৪ দিন অনুশীলন করিয়ে খেলতে ড়াক দিয়েছে বিভাগীয় লিগ খেলার জন্য। (হাও ফানি) আপনারাই বলুন এই দল ৫ টা গোল না খাইলে কোন দল খেতো? আর জেলার ফুটবল দলের যারা দায়িত্বে আছেন একটা খেলার কর্তা হওয়ার সম্মানিত টানা ব্যর্থতার পরও তারা তাদের পথ আটকে থাকতে এত মরিয়া কেন? -সেইটা প্রশ্ন থেকেই যায়...
জানি আপনারা যারা যে চেয়ারে বসে আছেন আপনাদের যোগ্যতা আছে। তারপরও আপনারা বার বার ব্যর্থ হন। কিন্তু কেন?
একমাত্র আপনাদের পরিশ্রমের অভাব হওয়ার কারণে। ব্যর্থ হচ্ছেন বার বার। নিজের সৎ কে কাজে লাগিয়ে যদি যোগ্য প্লেয়াদের নিয়ে একটা টিম গঠন করতেন তাহলে আজ এই বেহাল হতো না।
ফুটবল ভক্তদের অভাব নেই আমাদের পার্বত্য জেলায় তবে ফুটবল নিয়ে একটা খুঁজ খবর নেননা,হালের প্রজন্মের এর দায় যত না,ফুটবল ভক্তদের তার চেয়ে বেশি এই পার্বত্য জেলার ফুটবল অভিভাবকদের।
সুতরাং অবশেষে আমাদের পার্বত্য জেলার ফুটবল এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে অনুরোধ রইলো ফুটবলের ভিতরে আপানাদের এইসব রাজনীতি দয়া করে বন্ধ করুন, আর পার্বত্য জেলার ফুটবলকে দেশের মঞ্চে প্রেজেন্ট করার জন্য আপনাদের সবার সহযোগিতা কাম্য।
ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
0 Comments