গন্তব্য বহুদূরঃভাস্কর্য ইস্যুতে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের চট্টগ্রাম সফর প্র’তিহত করার প্রতিবাদে গত শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইটে আ’ন্দোলন করে তৌহিদী জনতা।বি’ক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশ গ্রে’ফতার করে অর্ধশত তৌহিদী জনতাকে৷
গতকাল (১ ডিসেম্বর) মামুনুল হক তার ফেসবুক পেজে গত জুমাবারের মিছিল ও গ্রে’ফতার বিষয়ে দুটি কথা উল্লেখ করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন৷ গন্তব্য বহুদূররে পাঠকদের জন্য মামুনুল হকের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো: গত ২৭ শে নভেম্বরের মিছিলটি ছিল সম্পূর্ণ স্বতস্ফূর্ত ।
বাদ জুমা মিছিল হলেও আমি খবর পাই বিকাল ৩টার দিকে। পরে যতটুকু খোঁজ-খবর পেয়েছি, তাতে বুঝতে পারলাম, আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার ইস্যুতে শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের উলেখযোগ্য কোনো তৎপরতা চোখে না পড়ায় তরুণ ও ছাত্ররা ফেইসবুকে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বি’ক্ষোভের কর্মসূচী গ্রহন করেছে।
আবেগী তরুণদের এই নেতৃত্বহীন বি’ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত পুলিশী এ্যা’কশনের মুখে পড়ে। লা’ঠিচার্জের পর বেশ কিছু মি’ছিলকারীকে আ’টক করে পুলিশ। বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর মুহুর্তকাল বি’লম্ব না করে আমাদের দায়িত্বশীলগণ তাদের সার্বিক।তায় এগিয়ে যায় ।এক দিকে প্রশাসনের মাধ্যমে মুক্ত করার চেষ্টা করে।
এখানে আরো বড় কোনো দূ’র্ঘটনাও ঘটতে পারত। আবেগী তরুণরা অনেক সময়ই এমন মনে করে যে, দায়িত্বশীলদের কারণেই আন্দোলন করা যায় না। আর সে কারণে তাদের অজান্তে কর্মসূচী পালনের সি’দ্ধান্ত নেয়। এটি কত বড় আ”ত্ম’ঘাতি চিন্তা, এই ঘটনা তার একটি ক্ষু’দ্র প্রমাণ।সে যাই হোক, তরুণরা আবেগের বশবর্তি হয়ে ভুল করলেও আমরা আল্লাহর মেহেরবানীতে তাদের দায়িত্ব নিতে ভুল করিনি৷
আমাদের সামর্থের আলোকে আমরা তাদেরকে দ্রূত মুক্ত করার ও তাদের যাবতীয় প্রয়োজন পুরণের সব রকম উদ্যোগ নিয়েছি । এ জন্য বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা শরীফ হুসাইনের নেতৃত্বে একটি টিম সার্বক্ষনিক মেহনত চালিয়ে যাচ্ছে। সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও নেক দোয়া কামনা করি। আল্লাহই আমাদের সর্বেত্তম সাহায্যকারী
0 Comments